গাইড

বাজুস সোনার দাম কীভাবে নির্ধারিত হয়?

বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) কীভাবে প্রতিদিনের সোনার দাম ঘোষণা করে এবং কোন বিষয়গুলো দাম নির্ধারণে প্রভাব ফেলে তা জানুন।

বাজুস কী?

বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) বাংলাদেশের সকল জুয়েলারি ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন। প্রতিদিন আন্তর্জাতিক বাজার ও স্থানীয় পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে বাজুস সোনার দাম নির্ধারণ করে এবং সন্ধ্যায় পরের দিনের মূল্য ঘোষণা করে।

দাম নির্ধারণের তিনটি মূল উপাদান

১. আন্তর্জাতিক বুলিয়ন মূল্য: লন্ডন বুলিয়ন মার্কেট অ্যাসোসিয়েশন (LBMA) প্রতিদিন দুইবার আন্তর্জাতিক সোনার দাম নির্ধারণ করে। বাংলাদেশের দাম এর সাথে সরাসরি সম্পর্কিত। ২. ডলার-টাকা বিনিময় হার: বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্ধারিত USD/BDT হার বাড়লে বা কমলে সোনার দামেও পরিবর্তন আসে। ৩. আমদানি শুল্ক ও কর: সরকার নির্ধারিত শুল্ক পরিবর্তন হলে দামে প্রভাব পড়ে।

ক্যারেট ও বিশুদ্ধতা

ক্যারেটবিশুদ্ধতাব্যবহার
২২ ক্যারেট৯১.৬৭%গহনা (সর্বাধিক প্রচলিত)
২১ ক্যারেট৮৭.৫%গহনা
১৮ ক্যারেট৭৫%ডিজাইনার গহনা
সনাতনী~৮০%ঐতিহ্যবাহী গহনা

ভ্যাট ও মজুরির হিসাব

২০২৬ সাল থেকে বাজুস নিয়ম অনুযায়ী সোনার উপর ৫% ভ্যাট প্রযোজ্য। গহনার মজুরি দোকানভেদে প্রতি ভরিতে ২,০০০ থেকে ৮,০০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।

মোট বিল = (বেস মূল্য + ৫% ভ্যাট) + মজুরি

সঠিক হিসাবের জন্য আমাদের বিল ক্যালকুলেটর ব্যবহার করুন।

← সব নিবন্ধ লেখক: DeshiGoldPrice সম্পাদনা দল